বাঙ্গালির শেকড় শুধুই কাটাই হয় নি, শেকড় কেটে সেখানে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়েছে।


আমাদের সামাজিক বিজ্ঞান বইতে ইতিহাসের একটা সেকশন আছে, সেখানে আধুনিক বাংলার ইতিহাসের আলোচনায় তাবৎ "স্বাধীনতাকামী" দের ব্যাপারে বর্ণনা আছে, এবং সবাইকেই কম বেশি হিরো হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মীর নেসার আলী তিতুমীর থেকে শুরু করে সৈয়দ আমীর আলী - এরা সবাই হিরো, কেন? কারণ তারা "স্বাধীনতা" আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। 


অথচ তিতুমীর বা হাজী শরীয়তউল্লাহদের সাথে সৈয়দ আমীর আলী বা সৈয়দ আহমেদ খানদের কোনো তুলনা চলে না - তারা পুরোপুরি দু'ঘরানার মানুষ। একদল চেয়েছিলেন ব্রিটিশদের উৎখাত করে ইসলামী শরীয়াহ কায়েম করতে, আরেকদল চেয়েছিল ব্রিটিশদের আদর্শে মুসলিমদেরকে দীক্ষিত করে, ব্রিটিশদের সেবা-শুশ্রুষা করে তাদের কাছে "গুড বয়" সেজে থাকতে। সামান্য মগজ খরচ করলেই বোঝা যাবে এই দুটি দল পুরোপুরি দুই মেরুর, তাদের আদর্শে কোন মিলই নেই বরং ১৮০ ডিগ্রী বিপরীত। 

ফিলিস্তিনঃ হে উম্মাহ আপনারা ভোট দিয়ে দায়িত্ব শেষ করতে চান ?

ফেসবুকে যখন দেখি লোকজন স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য কথা বলছে তখন কেমন যেন একটা অপরাধবোধের গ্লানি চেপে বসে। আমি জানি ফিলিস্তিন জায়গাটা আমাদের মুসলিমদের জন্য একটা আবেগের জায়গা, তারা যা চায় এবং তা ফিলিস্তিনের ভালোর জন্যই বলে, কিন্তু তবুও কিছু সমস্যা থেকেই যায়।

না,কিছু না, অনেক সমস্যা। এই যে আমরা স্বাধীন ফিলিস্তিনের কথা বলছি এটা একটা সমস্যা। আমি জানি অনেকে বলবেন, “কিছু মুসলিম তো বাচঁবে”, তবু আমি বলব, এত ভয়ংকর একটা ব্যাপারকে এত ডিফেন্সিভ ভাবে দেখতে ইসলাম আমাদের শেখায় নি।

১।

আমরা কি আজ চিন্তা করে দেখেছি যে জাতিসংঘের মত একটি সংস্থা, যেটি তার জন্ম থেকে কাফিরদের চাকরি করে আসছে, সেরকম একটি সংস্থার কাছ থেকে আমরা এই মুসলিমরা ফিলিস্তিনের বৈধতার আবেদন করছি, যখন আল্লাহ স্বয়ং এই আমাদেরকে মুসলিম ভূমির আমানতদারির ভার ক্বিয়ামাহ পর্যন্ত দিয়ে দিয়েছেন ! আমেরিকা-ব্রিটেনের জারজ সন্তান এই জাতিসংঘ ফিলিস্তিনের বৈধতা দেবার কে ? যে মুসলিমদের আল্লাহ তা’আলা বলেছেন সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি, সে মুসলিমদের আজকে হাত পাততে হচ্ছে সে সংস্থার কাছে যার জন্ম হয়েছিল ইসলামের বিরুদ্ধে শক্তিগুলোকে একত্রিত করে ইসলামকে দমন করার জন্য ! এর থেকে লজ্জার কি আছে ? এ হল সে জাতিসংঘ যে ইসরায়েলকে বৈধতা দিয়েছিল ! আর সে জাতিসংঘের কাছেই আজ recognized হওয়ার চেষ্টা !

২।

আমাদের খুব মৌলিক একটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার। আমরা ফিলিস্তিনের মানুষদেরকে কিভাবে দেখি ? ফিলিস্তিনি হিসেব ? পত্রিকায় যখন ফিলিস্তিনিদের খবর দেখি, তখন কি সেই খবরটা “ওদের” ইস্যু নাকি “আমাদের ইস্যু” ?

আল্লাহ বলছেন,

“নিঃসন্দেহে তোমাদের উম্মাহ এক উম্মাহ, আর, আমিই তোমাদের প্রভু, অতএব আমার উপাসনা কর” [কুরআন ২১:৯২]

তাই গত ৬০ বছর ধরে চলে আসা ফিলিস্তিনের এই সমস্যা “তাদের” সমস্যা নয়, এটা আমাদের সমস্যা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গলাকাপানো কমিউনিস্টদের কাছে এটা একটা নেহায়েত “মানবিক বিপর্যয়” হতে পারে, কিন্তু আমাদের মুসলিমদের কাছে এটা মুসলিমদের সমস্যা, কারন ওরাই আমরা, আমরাই

আপনি কি আল্লাহ্‌র পথে একজন বীর মুজাহিদ হতে চান? তাহলে পড়ুন।

জিহাদের প্রত্যেক পর্বেই মুজাহিদীনদের অনেক দায়িত্ব আছে !!

ইন্নাল হামদা লিল্লাহ। ওয়াস সালাতু ওয়াস আলামু আলা রাসুলিল্লাহ।
অনেকেই জিহাদ বলতে খুব সাদা-মাঠাভাবে কিছু মানুষ জড়ো করে, তাদেরকে কিতালের ব্যাপারে তাহরীদ করে, জিহাদের ব্যাপারে কিছু আয়াত-হাদিস মুখস্থ করিয়ে – একসাথে ‘কিছু একটা’ করা মনে করে থাকেন। আমাদেরকে এই ‘কিছু একটা’ এর গভীরে যেতে হবে।

বাস্তবে জিহাদ কিভাবে করতে হবে – তা জানতে হবে।

কিভাবে দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের মুজাহিদীনরা জিহাদ করছেন – সেটা জানতে হবে।

তা না হলে এই ‘কিছু একটা’ এর ব্যাপারে ভাসাভাসা ধারনা নিয়ে কাজ করতে গেলে, আমরা এই জমীনের জিহাদকে হয়তো আরো অনেক পিছিয়ে দিবো। আর আমরা সেটা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই এবং সকল ব্যাপারে শুধু আল্লাহর উপরই ভরসা করি।

শাইখুল মুজাহিদ ইমাম আব্দুল্লাহ আজ্জাম (রঃ) বলেছেনঃ (আল-আন্দালুস মিডিয়া কর্তৃক প্রকাশিত আলজেরিয়ার মুজাহিদীনদের সাম্প্রতিক ভিডিওতে এই বক্তব্য এসেছে)

জিহাদ চারটি পর্বের সমন্বয়ে গঠিতঃ

হিজরত
ইদাদ বা প্রস্তুতি
রিবাত
কিতাল
তিনি আরো বলেছেনঃ
“ইদাদ ছাড়া কিতাল করা সম্ভব নয়। রিবাত ছাড়া কিতাল করা সম্ভব নয়।”

তবে প্রত্যেক মুজাহিদকেই আলাদাভাবে এই চারটা পর্বে কাজ করতে হবে এমনটা নয়। এটা হলো সাধারণভাবে যে কোন জিহাদের জন্য পর্ব। মুজাহিদীনদের একদল এগুলো করলেই হবে ইনশাআল্লাহ। যেমনঃ

ক) হিজরতঃ

মক্কার মুহাজিররা হিজরত করেছিলেন, কিন্তু মদীনার আনসাররা হিজরত করেন নি। তারা হিজরত করতে সহায়তা করেছেন। তারা দিয়েছেন নুসরত। মদীনার আনসাররা আনসার হবার পরেই কেবল মক্কার মুহাজিরদের জন্য হিজরত করা সম্ভব হয়েছে। আল্লাহ তাঁদের সবার উপর রাজী থাকুন।

আবার হিজরত করতে হলে যে বর্তমান একদেশ থেকে অন্য দেশে যেতে হবেই – এই চিন্তাধারাও যথেষ্ট আলোচনার দাবী রাখে।

এসব বর্ডার তো মাত্র সেদিন ব্রিটিশ কাফির-ক্রুসেডাররা যাবার সময় এঁকে দিয়ে গেছে।

এছাড়া মক্কা থেকে মদীনার দূরত্ব হয়তো টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া এর দূরত্বের কাছাকাছি হতে পারে। তাহলে বড় যেকোন দেশের এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে গেলেতো এর চেয়ে বেশী দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে।

তাই বুঝা যায়, হিজরত মূলত নিজের দ্বীনকে হেফাজত করার জন্য অন্যত্র চলে যাওয়া। সেটার দূরত্ব নির্দিষ্ট নেই। একই দেশের ভিতরে হিজরতের ব্যাপারে ইমাম আনোয়ার আওলাকী (রঃ) তাঁর “হিজরত” লেকচারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

এছাড়া অনেক সময়, একই দেশে থেকেও অনেক মুজাহিদ নিজের বাড়ী-ঘর ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। সেটাও হিজরত হতে পারে। আল্লাহই ভালো জানেন।

আমরা বর্তমানে মক্কার মুহাজির না হয়ে মদীনার আনসারদের ভূমিকায় থাকতে

ইনফাক্ব ফি সাবিলিল্লাহ বা আল্লাহর পথে ব্যয় করা (১ম পর্ব)


আল্লাহর পথে ব্যয় হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম পথ। মহান আল্লাহ বলেন,
“তোমরা যা কিছু ব্যয় করবে তিনি তার বিনিময় দেবেন”। [সূরা সাবাঃ ৩৯]
আল্লাহ আরও বলেন,
“যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-খয়রাত কর, তবে তা কতইনা উত্তম! আর যদি খয়রাত গোপনে কর এবং অভাবগ্রস্তদের দিয়ে দাও, তবে তা তোমাদের জন্যে আরও উত্তম। আল্লাহ তা’আলা তোমাদের কিছু গোনাহ দূর করে দিবেন। আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খুব খবর রাখেন।" [সূরা বাকারাঃ ২৭১]
“যে মাল তোমরা ব্যয় কর, তা নিজ উপাকারার্থেই কর। আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যয় করো না। তোমরা যে, অর্থ ব্যয় করবে, তার পুরস্কার পুরোপুরি পেয়ে যাবে এবং তোমাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না” [সুরা বাকারা: ২৭২]
“তোমরা যে অর্থ ব্যয় করবে, তা আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই পরিজ্ঞাত। [সূরা বাকারাঃ ২৭৩]
“আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত”। [সূরা তওবাঃ ১১১]
“অতএব, যে দান করে এবং খোদাভীরু হয়, এবং উত্তম বিষয়কে সত্য মনে করে, আমি তাকে সুখের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব”। [সূরা লাইলঃ ৫-৭]
“এ থেকে দূরে রাখা হবে আল্লাহভীরু ব্যক্তিকে, যে আত্মশুদ্ধির জন্যে তার ধন-সম্পদ দান করে। এবং তার উপর কারও কোন প্রতিদানযোগ্য অনুগ্রহ থাকে না। তার মহান পালনকর্তার সন্তুষ্টি অন্বেষণ ব্যতীত। সে সত্বরই সন্তুষ্টি লাভ করবে”। [সূরা লাইলঃ ১৭-২১]
"তোমাদেরকে আল্লাহর পথে ব্যয় করতে কিসে বাধা দেয়, যখন আল্লাহই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উত্তরাধিকারী?" [সুরা হাদিদঃ ১০]'
"যারা রাত্রে দিনে, গোপনে-প্রকাশ্যে, তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের পুরস্কার তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে। তাদের কোন ভয় নাই তারা দুঃখিতও হবে না " [সুরা বাকারা :২৭২]
আনাস হতে বর্ণিত, নবী (সাঃ) বলেছেন, “মুশরিকদের বিরুদ্ধে তোমার জান-মাল ও বাক্য দ্বারা সংগ্রাম চালাও।” (আবূ দাঊদ)

৭২-৭৫ তৎকালীন আওয়ামী বাকশাল শাসিত এদেশের হালচাল কেমন ছিল তা কয়েকটি বিদেশী পত্রিকা অনুসারে জানিঃ



এদেশের বর্তমান জেনারেশনের ছেলেমেয়েরা বাংলাদেশ সৃষ্টির অনেক বিকৃত ইতিহাস জানলেও ৭২-৭৫ পর্যন্ত ৪টা বছর যেন বাতাসে মিলিয়ে গেছে এমন ভাবে নাই হয়ে গেছে ফলে তারা কিছুই জানে না! আসুন তৎকালীন আওয়ামী বাকশাল শাসিত এদেশের হালচাল কেমন ছিল তা কয়েকটি বিদেশী পত্রিকা অনুসারে জানিঃ

১/ ১৯৭৪ সালের ২৭ সেপ্টম্বর তারিখে লন্ডনের নিউ স্টেট্সম্যান লিখেছিল,

“বাংলাদেশ আজ বিপদজনক ভাবে অরাজকতার মুখোমুখি। লাখ লাখ লোক ক্ষুধার্ত। অনেকে না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে। .. ক্ষুধার্ত মানুষের ভীড়ে ঢাকায় দম বন্ধ হয়ে আসে।.. বাংলাদেশ আজ দেউলিয়া। গত আঠার মাসে চালের দাম চারগুণ বেড়েছে। সরকারি কর্মচারিদের মাইনের সবটুকু চলে যায় খাদ্য-সামগ্রী কিনতে। আর গরীবরা থাকে অনাহারে। কিন্তু বিপদ যতই ঘনিয়ে আসছে শেখ মুজিব ততই মনগড়া জগতে আশ্রয় নিচ্ছেন। ভাবছেন, দেশের লোক এখনও তাঁকে ভালবাসে। আরো ভাবছেন, বাইরের দুনিয়ী তাঁর সাহায্যে এগিয়ে আসবে এবং বাংলাদেশ উদ্ধার পাবে। নিছক দিবাস্বপ্ন.. দেশ যখন বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে,তখনও তিনি দিনের অর্ধেক ভাগ আওয়ামী লীগের চাঁইদের সাথে ঘরোয়া আলাপে কাটাচ্ছেন। .. তিনি আজ আত্মম্ভরিতার মধ্যে কয়েদী হয়ে চাটুকার ও পরগাছা পরিবেষ্টিত হয়ে আছেন।.. সদ্য ফুলে-ফেঁপে ওঠা তরুণ বাঙালীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের শরাবখানায়

কুরআন শিখি পার্টঃ১২||Quran Shikhi Part:12

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ। কি খবর সবার??? আমাদের কুরআন শিখার প্রজেক্টটির কথা আপনাদের মনে আছে???আমরা কিন্তু আল্লাহর রহমতে অনেক দুর এগিয়ে গেছি। এখানে শেয়ার করিনাই বিধায় সম্ভবত ইউটিউবে তেমন কোন সাড়া পাইনাই, আমরা সর্বসেশ ১১ নম্বর পার্ট টি শেয়ার করেছিলাম। আজকে শেয়ার করবো ১২ নম্বর পার্ট, এই পার্ট এ গত পার্টের বাকি থেকে যাওয়া অংশ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ অক্ষর মিলিয়ে বানান করা নিয়ে আমাদের আগের

ভারতের গুজরাটে মুসলিম গণহত্যা ও নির্যাতনের নির্মম ইতিহাস

কিছু কষ্টের কথা কখনো ভুলা যায় না ! প্রায় ৩০০০ হাজার বছর আগে ফিরাউন, মুসা (আঃ) কে হত্যার উদ্দেশ্যে ঐ সময় মায়ের পেট থেকে সদ্য জন্ম নেয়া সব শিশুদের হত্যা করে যে নারকীয়তার সৃষ্টি করেছিল তা মানুষ আজও ভুলে নি।

ফিরাউন জন্ম নেয়ার পর শিশুদের হত্যা করেছিল। কিন্তু এই আধুনিক যুগের অসভ্য বর্বর উগ্র ভারতীয় হিন্দুরা সেই ফিরাউনকেও হার মানিয়েছে। ভারতে মুসলিম শিশুরা মায়ের পেটের ভেতর ও নিরাপদ না। শুধু শিশু কেন মুসলিম নারীরাই ভারতে সবচেয়ে অনিরাপদ!

গুজরাট, ভারতের সর্বপশ্চিমে অবস্থিত একটি রাজ্য। আসুন,দেখা যাক কি হয়েছিল এখানে!

মুসলিম গণহত্যার ষড়যন্ত্রঃ
ঘটনার সূত্রপাত ২০০২ এর ২৭ ফেব্রুয়ারি-- গুজরাটের SABARMATI EXPRESS নামে একটি ট্রেনে হামলায় ভারতের ৫৯ জন মারা যায়। Wikipedia এর তথ্য অনুসারে ২৫৪ জন। এ ঘটনায় কোন প্রমাণ ছাড়াই মুসলমানদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অথচ  পরবর্তীতে ‘নতুন নানাভাতি’ তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে বেরিয়ে আসে যে, ভারতের মুসলমানদের উপর হামলা চালানোর পূর্ব-ষড়যন্ত্র হিসেবেই এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা সাজানো হয়, যা উগ্র হিন্দু সন্ত্রাসী করেছিল এবং সেটা মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশেই হয়েছিল।  সেটাকেই ছুতো করে মাসখানেক ধরে সাম্প্রদায়িক উগ্র হিন্দুরা মুসলিমদের উপর হামলা চালায়। শুরু হয় দাঙ্গা।

মুসলিম নির্যাতন   


সংখ্যা লঘু হওয়াতে মুসলিমদের উপর হিন্দুদের নির্যাতন মাত্রা ছাড়ায়। নির্যাতনের ধরন সব যুগের সব বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। মুসলিমদের ব্যাসায়িক প্রতিষ্ঠান,বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়। অধিকাংশ মুসলিমদের পুরিয়ে মারা হয়েছে। শত শত মুসলিম নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। শিশুদেরকেও তারা ছাড় দেয়নি। প্রায় লাখখানেক মুসলিম তাদের বাড়ি ঘর ছেরে পালিয়ে যায়। এই নির্যাতনে RSS সহ হিন্দু উগ্র সন্ত্রাসীরা অংশ নেয়।


মুসলিম নির্যাতন   


গুজরাটে মুসলিম গণহত্যার নির্মমতাঃ
বাবুভাই প্যাটেল, সকলের কাছে পরিচিত উপনাম

ইমান ভঙ্গের ১০টি কারন

ইমান, iman, اَلْاِيْمَان


নাওয়াকিদ আল ইসলাম- যেসব বিষয় গুলো একজনের ইসলামকে ধ্বংস করে দেয় (মুসলিমকে কাফির বানিয়ে দেয়)

১.শিরক
২.আল্লাহ ও বান্দার মাঝে কোন মাধ্যম গ্রহন করা
৩. যে ব্যক্তি কাফিরকে কাফির বলে না অথবা তাদের কাফির হবার ব্যাপারে সন্দেহ পোষন করে অথবা তাদের দ্বীনকে সঠিক ভাবে
৪. এমন মনে করা যে রাসুল (স) কর্তৃক আনীত বিধান বা পথের চেয়ে অপর কোন পথ উত্তম
৫. শরীয়াহর কোন হুকুমকে ঘৃনা করা
৬. দ্বীনের কোন বিষয় নিয়ে হাসি ঠাট্টা করা
৭. সিহর বা যাদুবিদ্যায় লিপ্ত হওয়া
৮.কুফফারদের সাথে মৈত্রি স্থাপন করা এবং তাদেরকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সাহায্য করা
৯. কারো এমন বিশ্বাস পোষন করা যে মুহাম্মদ (স) এর দ্বীনের অনুসরন করতে সে বাধ্য নয় এবং অন্য দ্বীনে যাবার অনুমতি তার আছে
১০. দ্বীন ইসলামকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করা

আলেমদের বিরুদ্ধে আর কত বলবি? নিজের আখেরাত নিয়ে কি তোদের একটুও চিন্তা নেই??

এই কুলাঙ্গার ফিৎনাবাজ বলছেঃ শায়খ মুফতি মুহাম্মাদ জসীমুদ্দিন রহমানী (আল্লাহ্‌ তা'আলা ওনাকে তাগুতের কারাগার থেকে মুক্ত করুন আমীন) নাকি কাট মোল্লা!!!

আমি শায়খকে যতটুকু জানি উনি কখনই দলীল বিহীন কোন কথা বলেন্ না।
দ্বিতীয়ত উনি সব সময় "একতার" কথা বার বার বলতেন যে, কোন মসজিদের কত বড় ইমাম, কত বড় আলেম, কোন দল সব চেয়ে ভারী তা দেখনা বরং প্রত্যেকটা কথা তোমরা কোরআন ও সহীহ হাদীসের সঙ্গে মিলাও যার কথা কোরআন ও সহীহ হাদীসের সঙ্গে মিলে তার কথা মান বা অনুসরণ কর যার কথা মিলবেনা তার কথা ছুড়ে ফেলে দাও অনুসরণ করো না।
যার প্রতিটি কথা দলিল ভিত্তিক, যিনি দ্বীনের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মসজিদের মিম্বর থেকে সকল বাতিলের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, যার মেহনতের কারনে আজ হাজার-হাজার পথভ্রষ্ট মানুষকে আল্লাহ্‌ পথের দিশা দিয়েছেন, যার মেহনতের ফলে মুসলিমরা ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'' এর প্রকিত অর্থ অনুভব করেছে, তাগুত,মুনাফিক,কাফের,মুশরিক, নাস্তিক,মুরতাদ ও ইসলামের দুশমন শাসকের পা-চাটা গোলাম ওলামায়ে ছু দের মুসলিমরা চিন্তে পেরেছে,যার মেহনতের কারনে আজ বাংলার মুসলিমরাও আল্লাহ্‌র দুনিয়ায় আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে। আজ তাকেই বলা হচ্ছে কাট মোল্লা।
***ঠিক যেমনি ভাবে রাসূলুল্লাহ (সঃ) কে মক্কার কাফেররা ৪০ বৎসর যাবত আল-আমীন বলে ডাকার পর রসূলুল্লাহ (সঃ) যখন হকের কথা বলা শুরু করেছিলেন ওই কাফেররাই রাসূল (সঃ) কে পাগল,কবি জাদুকর {নাউজুবিল্লাহ} বলে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিল বর্তমানেও এক শ্রেণীর নামধারি মুসলিম আবু জেহেলের বংশদরেরা মুসলিমদের নামে নানাবিধ মিথ্যা কুৎসা রচনায় লিপ্ত, কারন হক যদি দুনিয়ার বুকে টিকে যায় তাহলে এই মুনাফিক,কাফের, মুশরিকদের দাম্ভিকতা আর থাকবেনা, তাই তারা মুমিনদের নামে এক এক সময় এক এক রকমের মিথ্যা অপবাদে লিপ্ত রয়েছে...

আমাদের এক ভাই ওই ফিতনাবাজ পোষ্টকারীকে জিজ্ঞাস করেছিলেনঃ
) উনি যে কাট মোল্লা তার প্রমাণ কি? অর্থাৎ আপনি কিসের ভিত্তিতে উনাকে এই মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন?
) উনি যে একজন খারিজী তার প্রমাণ কি?
) খাওারিজ কাকে বলে?
) মুজাহিদীনরা সাধারণ মানুষ হত্যা করতে কোন লেকচারে বলেছে?
) মুজাহিদীনরা কি করে খাওারিজ হয়ে গেল? অর্থাৎ আপনি কিসের ভিত্তিতে তাদেরকে খাওারিজ বলে ফাতয়া দিচ্ছেন?
) মুজাহিদীনরা জিহাদের অপব্যবহার কোথায় করেছে? এবং তারা যে গাইরুল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করতে চায় তার প্রমাণ কি?
) মুজাহিদীন আর ইয়াহুদি নাসারাহদের মধ্যে মিল থাকলে কেন তারা একে অপরকে হত্যা করতেছে?
) আফগানিস্তান ও ইরাকের কোন স্থানে মুজাহিদীনরা গাইরুল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করছে?
) জিহাদ তো ইবাদত বুঝলাম কিন্তু সে ইবাদতটা কি

আপনি কি জানেন, মুজাহিদরা সাধারণ মানুষের জান মালের ব্যাপারে কতবেশি সতর্ক?


প্রশ্নঃ আমরা শুনতে পাই প্রত্যেক দিনই
আমেরিকান সরকার
দাবী করছে যে মুজাহিদরা সাধারণ মানুষের
উপর আক্রমণ চালায় এবং বেসামরিক
লোকদেরকেমানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।
অনুগ্রহ পূর্বক আপনি আমদের
কাছে ব্যাখ্যা করবেন হানাদার বিদেশী সৈন্য
এবং তাদের স্থানীয় দোসরদের উপর সামরিক
আক্রমনের ক্ষেত্রে ইসলামিক আমিরাত
আফগানিস্তানের প্রশাসন
কী নীতিমালা অনুসরণ করে?

উত্তরঃ উত্তর দেয়ার আগে প্রথমেই আমি সাধারণ জনগণকে এই বিষষয়টি বুঝতে অনুরোধ করবো যে, পরৃথিবীর প্রধানতম পত্র পত্রিকা, রেডিও টেলিভিশন,
স্যাটেলাইট চ্যানেল গণমাধ্যম সবই আমেরিকান সন্ত্রাসবাদী সরকারের নিয়ন্ত্রনে; অতএব তাদের নিয়ন্ত্রিত এসব গণমাধ্যমে তারা এমন প্রচার প্রোপাগান্ডাই চালাবে যা মুজাহিদদেরকে মানুষের কাছে হেয় করবে এবং যার দ্বারা তাদের হীন স্বার্থ সুরক্ষিত হবে।

দ্বিতীয়তঃ আগ্রাসী বিদেশী হানাদারদের প্রতি স্বাভাবিক ঘৃণার কারণেই আফগান জনসাধারণ মুজাহিদদের পক্ষ